সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৩

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।

মন্তব্য কলাম: হার্ড এন্ড হট লাইন

২৬ অক্টোবর/১৩ শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দেশে কী সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। রাজপথ রণাঙ্গন হবে; হরতাল-অবরোধে দেশের বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কত সংখ্যক প্রাণ ঝরবে? জানমালের নিরাপত্তা থাকবে তো! এমন উদ্ধেগ-উৎকন্ঠা ফুটে উঠেছিল বোধয় দেশের সচেতন ও বোঝমান মানুষের চোখে মুখে। ২৫ অক্টোবর/১৩ দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে এটা নিয়েও জনমনে ছিল হাজারও প্রশ্ন। বিরোধীদলের আগাম আল্টিমেটাম অনুযায়ী দিনটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনা হচ্ছিল। বিরোধীদলীয় ১৮ দলের ঐক্যজোট ঢাকায় সভা-সমাবেশ করবে। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর হওয়ার পর ২৬ অক্টোবর সরকারের ক্ষমতায় থাকা মানে অবৈধ সেটা বিরোধীদলের নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রকাশ করেছেন ২৫ তারিখের শহীদ সোহরাদী সমাবেশে। এই সমাবেশের অনুমতি ঢাকা ডিমপি দিবেন কীনা-এ নিয়ে ছিল বিরোধীদলের দৌড়ঝাপ।
অপর দিকে মহাজোট সরকার এ সমাবেশ করার বাঁধা সৃষ্টি করতে নানারকম উস্কানীমূলক কথাবার্তা ঝারছিলেন। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিল ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু ঢাকা নগর পুলিশ দু’গ্রুপের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে নির্ঘাত একটা বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে ভেবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। বিরোধীদলকে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সংঘর্ষ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে তারা। এ জন্য ডিএমপিকে স্বাগত জানাই। তা না হলে পরিস্থিতির রূপ ফুটে উঠতো তীব্র ভয়ংকরভাবে। গৃহযুদ্ধ আর অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যেত পুরো দেশ জুড়ে। ২৫ অক্টোবর বিরোধীদলের ১৮ দলের শীর্ষজোট ঢাকা সোহরাদী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপুর্ণভাবে সমাবেশ করতে সমর্থ হলে ডিএমপি স্বাগত জানিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিরোধীদল নেত্রী সরকারকে দুইদিনের ভাবার সময় দিয়ে ২৭-২৯ তারিখ পর্যন্ত টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের ঘোষণা দিলেন। দুই দিনের মধ্যে যদি সরকার তাদের সাথে যোগাযোগ করে নির্দলীয় সরকার/অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের সরকার প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সম্ভব হয় তাহলে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে নিবেন।